গ্যাস্ট্রোলজি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রংপুর। Gastroenterology specialist doctor Rangpur
বর্তমান রোগীদের মধ্যে গ্যাস্ট্রোলোজি বিভাগের রোগী সবচেয়ে বেশি। কেননা বেশিরভাগ মানুষে বর্তমান গ্যাসের সমস্যায় ভুগছেন। তাই অনেকেই অনুসন্ধান করে যান গ্যাস্টোলোজি বিভাগের ডাক্তার রংপুরের তালিকা এবং সিরিয়াল নাম্বার পাওয়ার জন্য। উত্তরবঙ্গের মানুষ চিকিৎসার জন্য রংপুরে আসেন এবং ভালো ডাক্তারের চিকিৎসা নিতে চান। তবে এদের মধ্যে অনেকেই ভালো ডাক্তারের সন্ধান পান না। আপনারা যারা গেস্ট্রলজি সমস্যায় ভুগেন এবং দীর্ঘদিন যাবত জ্ঞানিত ভালো চিকিৎসা নিতে পারছেন নাকি ভালো ডাক্তারের সন্ধান পাচ্ছে না তাদের জন্যই আমরা আজকে আমাদের এই আর্টিকেলটিতে গ্যাস্ট্রলজি বিভাগের ডাক্তার রংপুরের সিরিয়াল নাম্বার এবং ঠিকানা উল্লেখ করেছি।
তাই আপনারা যারা রংপুরের সেরা এবং বিশেষজ্ঞ গ্যাস্ট্রলজি বিভাগের ডাক্তারের তালিকা পেতে চান তারা আমাদের এই আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত অনুসরণ করুন। আপনারা আমাদের এই আর্টিকেলটি থেকে গ্যাস্ট্রলজি ডাক্তারের চিকিৎসা নিতে পারেন এবং সহজে সিরিয়াল দিতে পারেন। মারাত্মক সমস্যা যা থেকে আলসার এবং পরবর্তীতে ক্যান্সারে পরিণত হতে পারে। তাই কোনভাবে অবজ্ঞা না করে সমস্যা সমাধানের জন্য চিকিৎসা করে ভালো ফল নিতে আমাদের এই আর্টিকেলটি থেকে গাস্ট্রলজি ডাক্তার সিরিয়াল নাম্বার এবং ঠিকানাটি জেনে নিন।
রংপুর গেস্ত্রলজি বিভাগের ডাক্তার তালিকা ও সিরিয়াল নাম্বার
আমরা আজকে আমাদের আর্টিকেলটিতে রংপুরে গ্যাসট্রোলজি বিভাগের ডাক্তার তালিকা ও সিরিয়াল নাম্বার উল্লেখ করেছি আপনার আমাদের আর্টিকেলটি নিচে থেকে রংপুরের গেস্ট্রলজি বিভাগের ডাক্তারদের ঠিকানা সিরিয়াল নাম্বার সংগ্রহ করুন।
ডাঃ জিম্মা হোসেন
- এমবিবিএস, এমডি (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি), ফেলো (ভারত)
- গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি, লিভারের রোগ এবং অগ্ন্যাশয় বিশেষজ্ঞ
- রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
চেম্বার ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট
- জনপ্রিয় ডায়াগনস্টিক সেন্টার, রংপুর
- ঠিকানা: 77/1, জেল রোড, ধাপ, রংপুর – 5400, বাংলাদেশ
- দেখার সময়: বিকাল 4pm থেকে 9pm (শনি থেকে বৃহস্পতি) এবং 10am থেকে 12pm (শুক্র)
- অ্যাপয়েন্টমেন্ট: +8809613787813
ডাঃ মোঃ নওশাদ আলী
- এমবিবিএস, এফসিপিএস (মেডিসিন), এমডি (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি)
- গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি, লিভারের রোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
- রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
চেম্বার ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট
- ল্যাবেইড ডায়াগনস্টিক, রংপুর
- ঠিকানা: বাড়ি # 69, ধাপ, জেল রোড, রংপুর
- ভিজিটিং আওয়ার: অজানা। ভিজিটিং আওয়ার অ্যাপয়েন্টমেন্ট জানতে কল করুন
- : +8801766663099
নূর ইসলাম প্রফেসর ড
- এমবিবিএস, এফসিপিএস (মেডিসিন), এফএসিপি (ইউএসএ), এমডি (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি)
- গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি এবং লিভার রোগ বিশেষজ্ঞ
- রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
চেম্বার ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট
- পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, রংপুর
- ঠিকানা: 77/1, জেল রোড, ধাপ, রংপুর – 5400, বাংলাদেশ
- ভিজিটিং আওয়ার: সন্ধ্যা 7 টা থেকে 10 টা পর্যন্ত (বন্ধ: মঙ্গলবার ও শুক্রবার)
- অ্যাপয়েন্টমেন্ট: +8809613787813
ডাঃ মোঃ সাখাওয়াত হোসেন
- MBBS, MD (Gastroenterology), MACP (USA), MACG (USA), অ্যাডভান্সড এন্ডোস্কোপি ট্রেনিং (AIG)
- গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি (গ্যাস্ট্রোলিভার, প্যানক্রিয়াস এবং ইআরসিপি) বিশেষজ্ঞ
- রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
চেম্বার ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট
- জনপ্রিয় ডায়াগনস্টিক সেন্টার, রংপুর
- ঠিকানা: ইউনিট – 02, জেল রোড, ধাপ, রংপুর – 5400, বাংলাদেশ
- দেখার সময়: বিকাল 3 টা থেকে 10 টা পর্যন্ত (বন্ধ: শুক্রবার)
- অ্যাপয়েন্টমেন্ট: +8809613787813
মিয়া মোহাম্মদ রুবেল ডা
- এমবিবিএস (ডিএমসি), বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (মেডিসিন), এমসিপিএস (মেডিসিন), এমডি (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি)
- মেডিসিন, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি এবং লিভার রোগ বিশেষজ্ঞ
- ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
চেম্বার ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট
- আপডেট ডায়াগনস্টিক, রংপুর
- ঠিকানা: ধাপ, জেল রোড, রংপুর
- ভিজিটিং আওয়ার: বিকাল30 থেকে রাত 9 টা (বন্ধ: শুক্রবার)
- অ্যাপয়েন্টমেন্ট: +8801971555555
গ্যাস্ট্রোলজি রোগের লক্ষণ গুলো কি কি
গ্যাস্টিকের লক্ষণ: গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হলে খিদে কম পায়, পেটে গ্যাস হয়, বুক জ্বালা করে ও পেটের মাঝখানে চিনচিন ব্যথা, বুক ও পেটে চাপ অনুভূত, হজমে অসুবিধা এবং বমি হতে পারে। গ্যাস্ট্রিক সমস্যা বেশি হলে সবাই কম বেশি চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খেয়ে থাকেন হয়তো।
গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা সমাধানের প্রাকৃতিক উপায়
গ্যাস্টিকের লক্ষণ:
গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হলে খিদে কম পায়, পেটে গ্যাস হয়, বুক জ্বালা করে ও পেটের মাঝখানে চিনচিন ব্যথা, বুক ও পেটে চাপ অনুভূত, হজমে অসুবিধা এবং বমি হতে পারে।
গ্যাস্ট্রিক সমস্যা বেশি হলে সবাই কম বেশি চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খেয়ে থাকেন হয়তো। বিশেষজ্ঞের মতে, ওমিপ্রাজলজাতীয় গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ বছরের পর বছর খাওয়া বিপজ্জনক। এতে পাকস্থলীর পিএইচ পরিবর্তিত হয়ে যায়, ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে, রক্তশূন্যতা দেখা দিতে পারে।
তবে আপনি জানেন কি- ঘরোয়া কিছু উপায়ে এই গ্যাস্ট্রিক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়?
অনেকেরই দেখা যায় সকালের খাবার দুপুরে, দুপুরের খাবার বিকালে বা রাতে, রাতের খাবার অনেক দেরিতে বা গভীর রাতে অর্থাৎ সঠিক নিয়ম মেনে খাবার না খাওয়ার ফলে এসিডিটি বা গ্যাসের সমস্যা তৈরি হয়। সেজন্য অবশ্যই নিয়মিত প্রতিবেলার খাবার গ্রহণ করতে হবে।
কবারে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ না করে অল্প অল্প করে বারবার খাবার গ্রহণ করুন।
এক দিনে তিনবার প্রধান খাবার গ্রহণের মধ্যে ২-৩ বার স্ন্যাকসজাতীয় হালকা খাবার রাখুন।
খাবার খাওয়া শেষে বসে না থেকে ১৫ থেকে ২০ মিনিট হাঁটা চলাফেরা করুন। তাতে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।





